তবে উপজেলা প্রকৌশলী বলছেন, করোনা মহামারির কারণ কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। এছাড়া সেতুর সংযোগ সড়কের জায়গা নিয়ে স্থানীয় দুই ব্যক্তির করা মামলার কারণে দুই দফায় নির্মাণ কাজের সময় বাড়ানো হয়েছে।
সুজন মজুমদার বলেন, ‘হুড়কা ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। তারা কৃষিকাজ, মৎস্য ও মোংলা ইপিজেডে কাজ করেন। বগুড়া নদী পার হয়ে তাদের শহরের যাতায়াত করতে হয়। এছাড়া যাতায়াতের বিকল্প যে পথটি রয়েছে সেটা প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। তাই হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের সহজ মাধ্যম এই সেতুটি দ্রুত মানুষের চলাচলের উন্মুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।’
হুড়কা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার বলেন, ‘২০১৮ সালের শেষের দিকে বগুড়া খেয়াঘাট সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রথম দিকে কাজ দ্রুত গতিতে চললেও একটা সময় করোনা মহামারি ও জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত মামলার কারণে থেমে যায়। সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হতো অনেক আগেই। সমস্যা হচ্ছে এক অংশের সংযোগ সড়ক নিয়ে। সংযোগ সড়কটির কিছু অংশ ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা খিরোজ দাস ও প্রতাপ রায় নামের দুই ব্যক্তি মামলা করেন। ওই মামলায় সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বাবদ খিরোজ দাসকে দুই লাখ ও প্রতাপ রায়কে এক লাখ ২৫ হাজার দেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’
রামপাল উপজেলা প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন বলেন, ‘করোনা মাহামারি ও সীমানা জটিলতায় সেতুর কাজ দুই দফা পেছানো হয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন সংযোগ সড়কের কাজ চলছে। আশা করছি আগামী জুনে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’
Md.Liton 











