Dhaka , Tuesday, 3 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর উপহার বাগেরহাটে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চেক বিতরণ বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই

মোংলা বন্দরের জায়গা উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 01:33:59 am, Tuesday, 12 November 2024
  • 139 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার মেরিন ড্র্বাইভ সড়কের দুপাশে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দের নেতৃত্বে সকালে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এদিন প্রায় ১০ একর জমিতে থাকা ৭০টি আধা পাকা ও কাচা অবৈধ স্থাপনা এস্কাভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দ বলেন, মোংলা নদীর দুই পাড়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অনেক জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কিছু স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অবৈধভাবে বন্দরের জমিতে আধা পাকা, কাচা ও পাকা ঘর নির্মাণ করে দখলে রেখেছিলেন। অবৈধ দখলকারীদের জমি খালি করতে আগে নোটিশ দেওয়ার পাশাপাশি মাইকিংও করা হয়েছে। এরপরও দখলদাররা দখল ছাড়েনি। যার ফলে আজকের অভিযান।

এদিকে দীর্ঘদিন পরে বন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় রেজাউল কবির শুভ বলেন, ‘মোংলা পোর্ট পৌরসভার অভ্যন্তরে বন্দরের অনেক জমি রয়েছে। এসব জমি স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল করে স্থাপনা করেছেন। কেউ ভাড়াও দিয়েছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ আজকে যে উচ্ছেদ অভিযান করেছে। এখন মেরিন ড্রাইভ সড়কটির দুপাশ পরিচ্ছন্ন হয়েছে। আমরা খুব খুশি হয়েছি।’

১৯৫০ সালে স্থাপিত মোংলা বন্দরের মোংলা নদীর দুই তীরে বন্দরের ২০২২ একর জমি রয়েছে। এসব জমির একটা বড় অংশে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অবৈধভাবে স্থাপনা করে রেখেছেন। বিভিন্ন কারণে এত দিন এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেনি কর্তৃপক্ষ।

অভিযানে বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. নুরুজ্জামান, বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী ও ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার মেরিন ড্র্বাইভ সড়কের দুপাশে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দের নেতৃত্বে সকালে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার

মোংলা বন্দরের জায়গা উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

আপডেট টাইম : 01:33:59 am, Tuesday, 12 November 2024

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার মেরিন ড্র্বাইভ সড়কের দুপাশে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দের নেতৃত্বে সকালে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এদিন প্রায় ১০ একর জমিতে থাকা ৭০টি আধা পাকা ও কাচা অবৈধ স্থাপনা এস্কাভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দ বলেন, মোংলা নদীর দুই পাড়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অনেক জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কিছু স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অবৈধভাবে বন্দরের জমিতে আধা পাকা, কাচা ও পাকা ঘর নির্মাণ করে দখলে রেখেছিলেন। অবৈধ দখলকারীদের জমি খালি করতে আগে নোটিশ দেওয়ার পাশাপাশি মাইকিংও করা হয়েছে। এরপরও দখলদাররা দখল ছাড়েনি। যার ফলে আজকের অভিযান।

এদিকে দীর্ঘদিন পরে বন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় রেজাউল কবির শুভ বলেন, ‘মোংলা পোর্ট পৌরসভার অভ্যন্তরে বন্দরের অনেক জমি রয়েছে। এসব জমি স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল করে স্থাপনা করেছেন। কেউ ভাড়াও দিয়েছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ আজকে যে উচ্ছেদ অভিযান করেছে। এখন মেরিন ড্রাইভ সড়কটির দুপাশ পরিচ্ছন্ন হয়েছে। আমরা খুব খুশি হয়েছি।’

১৯৫০ সালে স্থাপিত মোংলা বন্দরের মোংলা নদীর দুই তীরে বন্দরের ২০২২ একর জমি রয়েছে। এসব জমির একটা বড় অংশে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অবৈধভাবে স্থাপনা করে রেখেছেন। বিভিন্ন কারণে এত দিন এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেনি কর্তৃপক্ষ।

অভিযানে বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. নুরুজ্জামান, বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী ও ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার মেরিন ড্র্বাইভ সড়কের দুপাশে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দের নেতৃত্বে সকালে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।