এক বছরে বিপুল পরিমাণ রপ্তানি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ইয়াহ্ইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দ্য অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্রেড রিলেটেড অ্যাসপেক্টস অব ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস-ট্রিপস সুবিধার বাধ্যবাধকতা থাকায় ভারতসহ অনেক দেশই এই ৯টি ওষুধ উৎপাদন করতে পারেনি। অথচ বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে ৯টি ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানির সুযোগ পায়। ফলে দেশে এক বছরে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। সে ক্ষেত্রে ভারতও বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করে।’
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বলেন, ‘কোভিড-সংশ্লিষ্ট রেমডেসিভিরসহ বিভিন্ন ওষুধের বিদেশে বেশি চাহিদা ছিল। এ কারণে ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। তবে রপ্তানিতে বেক্সিমকো ফার্মাই শীর্ষ থাকবে। এ ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসনের প্রতিবেদন সঠিক নয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রতিবেদন সঠিক।’
Md.Liton 











