Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর উপহার বাগেরহাটে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চেক বিতরণ বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই

এক বছরে ওষুধ রপ্তানি দ্বিগুণ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 02:39:58 pm, Saturday, 23 April 2022
  • 213 বার

এক বছরে বিপুল পরিমাণ রপ্তানি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ইয়াহ্ইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দ্য অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্রেড রিলেটেড অ্যাসপেক্টস অব ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস-ট্রিপস সুবিধার বাধ্যবাধকতা থাকায় ভারতসহ অনেক দেশই এই ৯টি ওষুধ উৎপাদন করতে পারেনি। অথচ বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে ৯টি ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানির সুযোগ পায়। ফলে দেশে এক বছরে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। সে ক্ষেত্রে ভারতও বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করে।’

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বলেন, ‘কোভিড-সংশ্লিষ্ট রেমডেসিভিরসহ বিভিন্ন ওষুধের বিদেশে বেশি চাহিদা ছিল। এ কারণে ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। তবে রপ্তানিতে বেক্সিমকো ফার্মাই শীর্ষ থাকবে। এ ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসনের প্রতিবেদন সঠিক নয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রতিবেদন সঠিক।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার

এক বছরে ওষুধ রপ্তানি দ্বিগুণ

আপডেট টাইম : 02:39:58 pm, Saturday, 23 April 2022

এক বছরে বিপুল পরিমাণ রপ্তানি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ইয়াহ্ইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দ্য অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্রেড রিলেটেড অ্যাসপেক্টস অব ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস-ট্রিপস সুবিধার বাধ্যবাধকতা থাকায় ভারতসহ অনেক দেশই এই ৯টি ওষুধ উৎপাদন করতে পারেনি। অথচ বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে ৯টি ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানির সুযোগ পায়। ফলে দেশে এক বছরে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। সে ক্ষেত্রে ভারতও বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করে।’

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বলেন, ‘কোভিড-সংশ্লিষ্ট রেমডেসিভিরসহ বিভিন্ন ওষুধের বিদেশে বেশি চাহিদা ছিল। এ কারণে ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। তবে রপ্তানিতে বেক্সিমকো ফার্মাই শীর্ষ থাকবে। এ ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসনের প্রতিবেদন সঠিক নয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রতিবেদন সঠিক।’