এই পেশার সাথে জড়িত অনেকেই পেশা পরিবর্তন করে এখন ভিন্ন ভিন্ন পেশায় কাজ করছেন। সিনেমা হলের মাইকিং ম্যান নজরুল বলেন এখন আর দর্শক হলে আসেনা ছবি দেখতে। সিনেমা হল বন্ধহয়ে যাবার পর চায়ের দোকান দিয়েছি বৌ বাচ্চা নিয়ে কোন রকমে দিন কাটাচ্ছি। তবে এই পেশায় জড়িত ছিলো এমন অনেকেই মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
সামাজিক সংগঠন সার্ভিস বাংলাদেশের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মিলন বলেন সিনেমা হল মানুষের বিনোদনের বড় একটি জায়গা, কর্মব্যাস্ত জীবনে মানুষের বিনোদনের খুবই প্রয়োজন, স- পরিবারে হলে গিয়ে ছবি দেখার মতো পরিবেশ এবং মানসম্মত ছবি হলে মানুষ আবারো সিনেমা মুখি হবে।
Md.Liton 











