Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

গাছের ডালে ডালে যেন সাজানো টাকা

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 11:31:10 am, Friday, 29 April 2022
  • 346 বার

সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥

মাঠে জমির পরিমান মাত্র ৫৫ শতক। তাও আবার লাগিয়েছেন দীর্ঘ মেয়াদী কাগজী লেবু। বাগান থেকে লেবু বিক্রি করছেন ৮ বছর ধরে। লাগানোর বছর ছাড়া খুব বেশি একটা খরচ নেই। কিন্ত লাভ অনেক বেশি। সারাবছরই লেবুর চাহিদা থাকে। তবে রোজার সময়ে চাহিদা থাকে আকাশচুম্বি। গত ৯ বছর ধরে চাষ করে লেবুতে দিয়েছে বেশ স্বচ্ছলতা। লেবুচাষী বলেন দুধরাজপুর গ্রামের তহিদুল ইসলাম মন্টু বললেন এটি অত্যন্ত লাভজনক চাষ। এবছরও তিনি প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকা লেবু বিক্রি করেছেন। এখনও বাগানের গাছের ডালে ডালে ঝুলছে লক্ষাধিক টাকার লেবু। সহজলভ্য কাগজী লেবু ভিটামিন সি’য়ের কারখানা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাস্থবিভাগও বলছে ভিটামিন ”সি অনেক ধরনের ভাইরাইসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে পারে। এতে রয়েছে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধের জন্য উপকারী অনেক উপাদানও। শরীরের ক্ষত শুকাতে ও ক্লান্তি দূর করতে লেবু অধিক কার্যকর। পবিত্র রমজানে সারাদিনের সিয়াম সাধনা শেষে ইফতারিতে পুষ্টিকর পানীয় কাগজী লেবুর শরবতের কদর বেশি। প্রচন্ড গরমে লেবুর চাহিদা বেশি থাকে। আর রমজানের সময়ের চাহিদা আরও বেশি। কিন্ত বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় লেবুর যোগান কম। ফলে দাম চড়া। এমন সময়ে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের দুধরাজপুর গ্রামের তহিদুল ইসলাম মিন্টুর বাগানে আগাম ধর আসা লেবু নজর কেড়েছে সকলের। বর্তমানে দামের বাজারে বাগান থেকেই সব লেবু বিক্রি করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার দুধরাজপুর গ্রামের মাঠের মাঝখানে দুর থেকে নজরে আসে তহিদুল ইসলামের লেবুর বাগান। বাগানটির অন্যপাশে পান বরজ আর ফসলী ক্ষেত। বাগানে ঢুকে দেখা যায় ভিন্ন বয়সী লেবু সব ডালগুলোতে ঝুলে আছে। অবস্থাটা এমন বাগানের প্রতিটি গাছে যেন পাতার চেয়ে লেবু বেশি। আবার নতুন করে ফুলও আসছে।

কথা হয় লেবু বাগানের মালিক তহিদুল ইসলাম মন্টুর সাথে। তিনি জানান, বাবা এবাদৎ হোসেন মারা যাওয়ার পর সম্পত্তি ৪ ভাই আর ৪ বোনের মাঝে ভাগাভাগির পর বসতবাড়ি আর মাঠ মিলে তিনি ৮০ শতক জমি পেয়েছেন তিনি। এতোটুকু জমির ওপর ভর করেই তাকে চলতে হয়। তারপরও ২ ছেলে সাজিদ আর রাফিদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে হয়। কখনও কখনও অভাব তাকে আটকিয়ে ধরে। তাই চাষের পাশাপাশি তিনি শুধু হাটের দিন বাজার থেকে পান কিনে ওই বাজারে বিক্রি করেন। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন তার ক্ষেতটিতে এমন কিছু চাষ করবেন যা মানুষের শরীরের জন্য উপকারী হয়। সে চিন্তা থেকেই কমখরচে বেশি উপকারী জিনিস হিসেবে তিনি কাগজী লেবুর চাষ করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে তার মাঠের ৫৫ শতক জমিতে চাষ করতে বেনাপোল পুটখালী থেকে ৬ হাজার টাকা দিয়ে ৪’শ চারা এনে রোপন করেন। এরমধ্যে অনেকগুলো চারা মারা যায়। বর্তমানে তার ক্ষেতে ২৬৮ টি গাছ আছে। একটি লেবু বাগান ঠিকমত পরিচর্যা করতে পারলে কমপক্ষে ৩০/৩৫ বছর লেবু পাওয়া সম্ভব। আবার অন্য ফসলের খরচ কম তবে লাভ বেশি। তিনি বলেন, তার ক্ষেতে রোপনের পরের বছরেই অনেক গাছে ফুল আসে। সে বছর প্রায় ২০ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন। ২০১৮ সালে লেবু থেকে পান ৯০ হাজার ২০১৯ সালে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন। চলতি বছরের এ পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার বিক্রি করেছেন। বর্তমানে বাজারে লেবুর আমদানী বেড়ে যাওয়ায় দাম এখন বেশ কম। প্রথম দিকে প্রতিটি লেবু ১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পেরেছেন। বর্তমানে প্রতিটি লেবু ৩ টাকায় পাইকারী বিক্রি করছেন। গাছে এখনও কমপক্ষে ৫ লাখ লেবু আছে। এগুলো দাম আরও কমে প্রতিটি ২ টাকা করে পাইকারী বিক্রি করতে পারলেও এখনও ক্ষেত থেকে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা আসবে বলে আশা করছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা খন্দকার মোহায়মেন আক্তার জানান,কামারাইল গ্রামের কৃষক তহিদুল ইসলাম মিন্টু একটি দেশী জাতের কাগজী লেবুর বাগান গড়ে তুলেছেন। তার এ জাতের লেবু বছরে তিনবার ধর আছে। তিনি বলেন, লেবুতে রয়েছে মানবদেহের অনেক রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা। ফলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকা দরকার পরিমান মত লেবু। তাই প্রত্যেক কৃষি পরিবারে লেবু গাছ থাকা জরুরী। আর বানিজ্যিকভাবে লেবু চাষ করতে পারলে তো কথায় নেই। এখন লেবুর অনেক দাম। তাই লেবুচাষীরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এ চাষে তেমন একটা খরচ নেই। সঠিকভাবে যত্ন নিলে একটি বাগান থেকে দীর্ঘদিন লেবু পাওয়া যায়। তিনি ওই কৃষকের লেবুর বাগান দেখেছেন বাগানে যেভাবে লেবু ধরে আছে এমনিভাবে বছরে তিনবার ধরলে ব্যাপক লাভের ব্যাপার। তিনি বলেন বাগানে যে পরিমানে লেবু ধরে আছে তাতে এ মৌসুমেই দাম কমে গেলেও কমপক্ষে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লক্ষাধিক টাকা আসবে।

এ ব্যাপারে বাগের হাটের মেডিকেল এ্যাসিটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন জানান, লেবুকে বলা হয় সি ভিটামিনের একটি বড় উৎস। আর বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে ভিটামিন সিতে।শরীর সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখতে পারে। এক কথায় লেবু বা ভিটামিন সি ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করে অনেকক্ষন টিকে থাকতে পারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

গাছের ডালে ডালে যেন সাজানো টাকা

আপডেট টাইম : 11:31:10 am, Friday, 29 April 2022

সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥

মাঠে জমির পরিমান মাত্র ৫৫ শতক। তাও আবার লাগিয়েছেন দীর্ঘ মেয়াদী কাগজী লেবু। বাগান থেকে লেবু বিক্রি করছেন ৮ বছর ধরে। লাগানোর বছর ছাড়া খুব বেশি একটা খরচ নেই। কিন্ত লাভ অনেক বেশি। সারাবছরই লেবুর চাহিদা থাকে। তবে রোজার সময়ে চাহিদা থাকে আকাশচুম্বি। গত ৯ বছর ধরে চাষ করে লেবুতে দিয়েছে বেশ স্বচ্ছলতা। লেবুচাষী বলেন দুধরাজপুর গ্রামের তহিদুল ইসলাম মন্টু বললেন এটি অত্যন্ত লাভজনক চাষ। এবছরও তিনি প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকা লেবু বিক্রি করেছেন। এখনও বাগানের গাছের ডালে ডালে ঝুলছে লক্ষাধিক টাকার লেবু। সহজলভ্য কাগজী লেবু ভিটামিন সি’য়ের কারখানা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাস্থবিভাগও বলছে ভিটামিন ”সি অনেক ধরনের ভাইরাইসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে পারে। এতে রয়েছে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধের জন্য উপকারী অনেক উপাদানও। শরীরের ক্ষত শুকাতে ও ক্লান্তি দূর করতে লেবু অধিক কার্যকর। পবিত্র রমজানে সারাদিনের সিয়াম সাধনা শেষে ইফতারিতে পুষ্টিকর পানীয় কাগজী লেবুর শরবতের কদর বেশি। প্রচন্ড গরমে লেবুর চাহিদা বেশি থাকে। আর রমজানের সময়ের চাহিদা আরও বেশি। কিন্ত বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় লেবুর যোগান কম। ফলে দাম চড়া। এমন সময়ে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের দুধরাজপুর গ্রামের তহিদুল ইসলাম মিন্টুর বাগানে আগাম ধর আসা লেবু নজর কেড়েছে সকলের। বর্তমানে দামের বাজারে বাগান থেকেই সব লেবু বিক্রি করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার দুধরাজপুর গ্রামের মাঠের মাঝখানে দুর থেকে নজরে আসে তহিদুল ইসলামের লেবুর বাগান। বাগানটির অন্যপাশে পান বরজ আর ফসলী ক্ষেত। বাগানে ঢুকে দেখা যায় ভিন্ন বয়সী লেবু সব ডালগুলোতে ঝুলে আছে। অবস্থাটা এমন বাগানের প্রতিটি গাছে যেন পাতার চেয়ে লেবু বেশি। আবার নতুন করে ফুলও আসছে।

কথা হয় লেবু বাগানের মালিক তহিদুল ইসলাম মন্টুর সাথে। তিনি জানান, বাবা এবাদৎ হোসেন মারা যাওয়ার পর সম্পত্তি ৪ ভাই আর ৪ বোনের মাঝে ভাগাভাগির পর বসতবাড়ি আর মাঠ মিলে তিনি ৮০ শতক জমি পেয়েছেন তিনি। এতোটুকু জমির ওপর ভর করেই তাকে চলতে হয়। তারপরও ২ ছেলে সাজিদ আর রাফিদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে হয়। কখনও কখনও অভাব তাকে আটকিয়ে ধরে। তাই চাষের পাশাপাশি তিনি শুধু হাটের দিন বাজার থেকে পান কিনে ওই বাজারে বিক্রি করেন। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন তার ক্ষেতটিতে এমন কিছু চাষ করবেন যা মানুষের শরীরের জন্য উপকারী হয়। সে চিন্তা থেকেই কমখরচে বেশি উপকারী জিনিস হিসেবে তিনি কাগজী লেবুর চাষ করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে তার মাঠের ৫৫ শতক জমিতে চাষ করতে বেনাপোল পুটখালী থেকে ৬ হাজার টাকা দিয়ে ৪’শ চারা এনে রোপন করেন। এরমধ্যে অনেকগুলো চারা মারা যায়। বর্তমানে তার ক্ষেতে ২৬৮ টি গাছ আছে। একটি লেবু বাগান ঠিকমত পরিচর্যা করতে পারলে কমপক্ষে ৩০/৩৫ বছর লেবু পাওয়া সম্ভব। আবার অন্য ফসলের খরচ কম তবে লাভ বেশি। তিনি বলেন, তার ক্ষেতে রোপনের পরের বছরেই অনেক গাছে ফুল আসে। সে বছর প্রায় ২০ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন। ২০১৮ সালে লেবু থেকে পান ৯০ হাজার ২০১৯ সালে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন। চলতি বছরের এ পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার বিক্রি করেছেন। বর্তমানে বাজারে লেবুর আমদানী বেড়ে যাওয়ায় দাম এখন বেশ কম। প্রথম দিকে প্রতিটি লেবু ১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পেরেছেন। বর্তমানে প্রতিটি লেবু ৩ টাকায় পাইকারী বিক্রি করছেন। গাছে এখনও কমপক্ষে ৫ লাখ লেবু আছে। এগুলো দাম আরও কমে প্রতিটি ২ টাকা করে পাইকারী বিক্রি করতে পারলেও এখনও ক্ষেত থেকে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা আসবে বলে আশা করছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা খন্দকার মোহায়মেন আক্তার জানান,কামারাইল গ্রামের কৃষক তহিদুল ইসলাম মিন্টু একটি দেশী জাতের কাগজী লেবুর বাগান গড়ে তুলেছেন। তার এ জাতের লেবু বছরে তিনবার ধর আছে। তিনি বলেন, লেবুতে রয়েছে মানবদেহের অনেক রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা। ফলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকা দরকার পরিমান মত লেবু। তাই প্রত্যেক কৃষি পরিবারে লেবু গাছ থাকা জরুরী। আর বানিজ্যিকভাবে লেবু চাষ করতে পারলে তো কথায় নেই। এখন লেবুর অনেক দাম। তাই লেবুচাষীরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এ চাষে তেমন একটা খরচ নেই। সঠিকভাবে যত্ন নিলে একটি বাগান থেকে দীর্ঘদিন লেবু পাওয়া যায়। তিনি ওই কৃষকের লেবুর বাগান দেখেছেন বাগানে যেভাবে লেবু ধরে আছে এমনিভাবে বছরে তিনবার ধরলে ব্যাপক লাভের ব্যাপার। তিনি বলেন বাগানে যে পরিমানে লেবু ধরে আছে তাতে এ মৌসুমেই দাম কমে গেলেও কমপক্ষে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লক্ষাধিক টাকা আসবে।

এ ব্যাপারে বাগের হাটের মেডিকেল এ্যাসিটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন জানান, লেবুকে বলা হয় সি ভিটামিনের একটি বড় উৎস। আর বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে ভিটামিন সিতে।শরীর সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখতে পারে। এক কথায় লেবু বা ভিটামিন সি ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করে অনেকক্ষন টিকে থাকতে পারে।