সরকারি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছিলেন পাক বিদেশ দফতরকে। বুধবার লন্ডনের পাক হাই কমিশনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়।
পানামা নথি ফাঁসের পর ২০১৭ সালে দুর্নীতি এবং আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তির মামলায় পাকিস্তানের দুর্নীতি দমন আদালত নওয়াজকে ১০ বছরের জেলের সাজা দিয়েছিল। জেলে যেতে হয় তাঁকে। পাক সুপ্রিম কোর্টও সে রায় বহাল রাখে। ২০১৯-এ চিকিৎসার জন্য চার সপ্তাহের জন্য পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন)-এর নেতাকে লন্ডন যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল পাক আদালত। কিন্তু লন্ডনে গিয়ে নওয়াজ আর ফেরেননি। ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পাক সরকার নওয়াজকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করে তাঁকে প্রত্যর্পণের আবেদন জানায় ব্রিটেনের কাছে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যায়। ইমরান জমানাতেই বাজেয়াপ্ত করা হয় নওয়াজের পাসপোর্ট। শাহবাজ সরকারের নির্দেশে ‘কুটনৈতিক পাসপোর্ট’ ফিরে পাওয়ার ফলে নওয়াজ এ বার দেশে ফিরে সরকারের সহায়তায় বয়স এবং স্বাস্থ্যের কারণে পাক সুপ্রিম কোর্টে সাজা মকুবের আবেদন জানাতে পারেন বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি।
Md.Liton 
















