Dhaka , Tuesday, 3 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর উপহার বাগেরহাটে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চেক বিতরণ বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই

মাস্টার প্লান প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে মোংলা বন্দর

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:03:45 pm, Friday, 1 April 2022
  • 140 বার

মোংলা বন্দর

স্টাফ রিপোর্টার:

মোংলা বন্দরের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সংগতি রেখে কৌশলগত মাস্টার প্লান প্রনয়নের লক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) বন্দরের সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ জাতীয় উন্নয়নের সাথে মিল রেখে আগামী দিনের পরিকল্পনার দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বন্দর সুত্রে জানায়, মোংলা বন্দরের জন্য রেল সংযোগ, বিমান বন্দর, পদ্মা সেতু এবং সড়ক ও রেলপথের আরও উন্নতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভুমিকা রাখছে এ বন্দর। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে বন্দরের সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে বর্তমানে ১৭.৮ মিলিয়ন টন কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। যা আগামী ২০২৪-২৫ থেকে ২০২৯-৩০ সালে ২৪.৯ মিলিয়ন টন হ্যান্ডলিং করা হবে, আর ২০৩৯-৪০ সালে ৪৭.৪ মিলিয়ন টনে তা উন্নিত করা হবে। এছাড়া, ২০৭০-৭১ এবং ২০৯৯-২১০০ সালের দিকে মোংলা বন্দরে ১০০ মিলিয়ন টন পর্যন্ত কার্গো হ্যান্ডলিং করার দীর্ঘমেয়াদী অর্জনের আশা করা হচ্ছে। মোংলা বন্দরের এই মাস্টার প্লানের মূল লক্ষ্য জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সংগতি রেখে কৌশলগত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২৫ এর অর্জন শেষে ডেল্টা প্লান আগামী ২১০০ সাল পর্যন্ত অর্জন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে মোংলা বন্দর। যাতে সম্ভাবনাময় এ সমুদ্র বন্দর জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখতে পারে। আর বন্দর ও সরকারে দেয়ার প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে বন্দর উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখবে মোংলা বন্দর। এ অনুষ্ঠানে কনসালট্যান্ট ইনরোস ল্যাকনার এসই মি. অগাস্টিন জোহানেস, ইনরোস ল্যাকনার এসই মি. রালফ আলফ্রেড বেরেন্স, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. কাজী সাইফুল ইসলাম, বন্দর কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিবিএ নেতৃবৃন্দ, মোংলা কাস্টমস প্রতিনিধি ও বন্দর ব্যবহারকারীরা উপস্থিত ছিলেন। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত এই কর্মশালায় ব্রেমেন (জার্মানি) থেকে কনসালট্যান্ট ইনরোস ল্যাকনার এসই এবং তাদের অংশীদার স্ট্রাটেজিক প্লানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বন্দর ব্যবহারকারী সকল স্টেকহোল্ডার এবং ক্লায়েন্টদের কাছে মাস্টার প্লানটি উপস্থাপন করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। কর্মশালায় বন্দর চেয়ারম্যান দাবী করে বলেন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কৌশলগত মাস্টার প্লান বাস্তবায়নের জন্য বন্দর সংশ্লিষ্ট সরকারের অন্যান্য সংস্থা তথা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, রেল কর্তৃপক্ষ, বিআইডব্লিউটিএ. বন ও পরিবেশ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কাস্টমস, বন্দর ব্যবহারকারীসহ সকল সংস্থার সহযোগীতার মাধ্যমেই এর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। মোংলা বন্দরের জন্য মাস্টার প্লান হবে দক্ষ বন্দর সক্ষমতা বিকাশের জন্য একটি রোডম্যাপ বলে দাবী করেন মোংলা বন্দর চেয়ারম্যান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার

মাস্টার প্লান প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে মোংলা বন্দর

আপডেট টাইম : 06:03:45 pm, Friday, 1 April 2022

স্টাফ রিপোর্টার:

মোংলা বন্দরের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সংগতি রেখে কৌশলগত মাস্টার প্লান প্রনয়নের লক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) বন্দরের সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ জাতীয় উন্নয়নের সাথে মিল রেখে আগামী দিনের পরিকল্পনার দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বন্দর সুত্রে জানায়, মোংলা বন্দরের জন্য রেল সংযোগ, বিমান বন্দর, পদ্মা সেতু এবং সড়ক ও রেলপথের আরও উন্নতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভুমিকা রাখছে এ বন্দর। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে বন্দরের সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে বর্তমানে ১৭.৮ মিলিয়ন টন কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। যা আগামী ২০২৪-২৫ থেকে ২০২৯-৩০ সালে ২৪.৯ মিলিয়ন টন হ্যান্ডলিং করা হবে, আর ২০৩৯-৪০ সালে ৪৭.৪ মিলিয়ন টনে তা উন্নিত করা হবে। এছাড়া, ২০৭০-৭১ এবং ২০৯৯-২১০০ সালের দিকে মোংলা বন্দরে ১০০ মিলিয়ন টন পর্যন্ত কার্গো হ্যান্ডলিং করার দীর্ঘমেয়াদী অর্জনের আশা করা হচ্ছে। মোংলা বন্দরের এই মাস্টার প্লানের মূল লক্ষ্য জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সংগতি রেখে কৌশলগত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২৫ এর অর্জন শেষে ডেল্টা প্লান আগামী ২১০০ সাল পর্যন্ত অর্জন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে মোংলা বন্দর। যাতে সম্ভাবনাময় এ সমুদ্র বন্দর জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখতে পারে। আর বন্দর ও সরকারে দেয়ার প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে বন্দর উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখবে মোংলা বন্দর। এ অনুষ্ঠানে কনসালট্যান্ট ইনরোস ল্যাকনার এসই মি. অগাস্টিন জোহানেস, ইনরোস ল্যাকনার এসই মি. রালফ আলফ্রেড বেরেন্স, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. কাজী সাইফুল ইসলাম, বন্দর কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিবিএ নেতৃবৃন্দ, মোংলা কাস্টমস প্রতিনিধি ও বন্দর ব্যবহারকারীরা উপস্থিত ছিলেন। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত এই কর্মশালায় ব্রেমেন (জার্মানি) থেকে কনসালট্যান্ট ইনরোস ল্যাকনার এসই এবং তাদের অংশীদার স্ট্রাটেজিক প্লানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বন্দর ব্যবহারকারী সকল স্টেকহোল্ডার এবং ক্লায়েন্টদের কাছে মাস্টার প্লানটি উপস্থাপন করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। কর্মশালায় বন্দর চেয়ারম্যান দাবী করে বলেন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কৌশলগত মাস্টার প্লান বাস্তবায়নের জন্য বন্দর সংশ্লিষ্ট সরকারের অন্যান্য সংস্থা তথা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, রেল কর্তৃপক্ষ, বিআইডব্লিউটিএ. বন ও পরিবেশ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কাস্টমস, বন্দর ব্যবহারকারীসহ সকল সংস্থার সহযোগীতার মাধ্যমেই এর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। মোংলা বন্দরের জন্য মাস্টার প্লান হবে দক্ষ বন্দর সক্ষমতা বিকাশের জন্য একটি রোডম্যাপ বলে দাবী করেন মোংলা বন্দর চেয়ারম্যান।