Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর উপহার বাগেরহাটে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চেক বিতরণ বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আর কর্মচারী সংঘ মুখোমুখি অবস্থান

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 12:05:06 am, Wednesday, 28 September 2022
  • 150 বার

জরুরী গেট সভায় বন্দর অচলের হুশিয়ারী সিবিএ নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ কর্মচারীদের মুখোমুখি অবস্থান

মোংলা প্রতিনিধি: বাস ভবনের ভাড়া বৃদ্ধি, বেতন-ভাতার বৈষম্য আর কর্মচারীদের উপর উর্ধতন কর্মকর্তাদের জুলুম-অত্যাচার সহ নানা অভিযোগে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও মোংলা বন্দর কর্মচারী সংঘ (সিবিএ) নেতৃবৃন্দ সহ কর্মচারীরা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। গত ২৮ মার্চ বন্দর কর্তৃপক্ষের এক বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত ও এসকল অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জরুরী গেট সভার ডাক দেন কর্মচারী সংঘের নেতৃবৃন্দ। বিকাল ৪টা থেকে এ জরুরী সভা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এসময় জারিকৃত আইন বাতিল না করলে বন্দরের কার্যক্রম অচল করার জন্য বন্দরের চেয়ারম্যান সহ ব্যাবস্থাপনা বিভাগকে হুশিয়ারী দেন কর্মচারীরা।

কর্মচারীদের জরুরী গেট সভায় জানানো হয়, মোংলা বন্দর সৃষ্টির পর থেকে বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ মোংলা ও খুলনাস্থ বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ভবনে বরাদ্ধকৃত বাসায় বসবাস করে আসছিল। ২০১২ সালের ২৮ আগষ্ট এক আদেশ মোতাবেক ২০১৫ সালের বোর্ড সভার ২৮১৮ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাসা ভাড়া দিয়ে আসছিল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কিন্ত বন্দর কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের ২৮ মার্চ এক বোর্ড সভার ২৬৩৪ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক “দি মোংলা পোর্ট অথরিটি অডিয়েন্স-“১৯৭৬” আইন বাতিল করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন “২০২২” কার্যকর করার লক্ষে এর মতামত চেয়ে চিঠি প্রদান করেন বন্দরের ব্যাবস্থাপনা বিভাগ। এসময় কর্মচারীদের পুর্বের সুযোগ সুবিধা ও খরচাদীর ব্যায় কমিয়ে আনারও প্রস্তাব দেয়া হয়।

বন্দরের উর্ধতন কর্মকর্তাদের প্রদানকৃত চিঠি পাওয়া মাত্র মঙ্গলবার বিকালে অফিস শেষে হঠাৎ জরুরী গেট সভার ডাক দেয় বন্দরের কর্মচারী সংঘ (সিবিএ) নেতৃবৃন্দ। মোংলা বন্দরের অফিস শেষ হওয়ার পর পরই মাইকিংয়ের মাধ্যমে কর্মচারীরা সিবিএর কার্যলয়ের সামনে জড়ো হয়। পরে জরুরী সভা ও বিক্ষোভ করেন কর্মচারীরা।এসময় এক পথ সভায় সিবিএ’র সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সংঘের সাধারন সম্পাদক খোরশেদ আলম পল্টু, সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খোকন, মাহবুব আলম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন পাটয়ারী ও সদস্য মোঃ হারুন আর রশিদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

এসময় বক্তারা বলেন, হঠাৎ বন্দরের জারি করা এ আইন ও পুর্বের সকল সুযোগ সুবিধা বাতিল ও কর্মচারীদের ন্যায় সঙ্গত অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন বন্দরের চেয়ারম্যান সহ ব্যাবস্থাপনা বিভাগ। এছাড়া বন্দরের সকল বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তারা কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন। তাই কর্মচারীদের পুর্বের আইন মোতাবেক চলাচল ও শ্রম আইনানুযায়ী না করলে বন্দর অচল সহ কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন সংঘের নেতৃবৃন্দ সহ সাধারন কর্মচারীরা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আর কর্মচারী সংঘ মুখোমুখি অবস্থান

আপডেট টাইম : 12:05:06 am, Wednesday, 28 September 2022

জরুরী গেট সভায় বন্দর অচলের হুশিয়ারী সিবিএ নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ কর্মচারীদের মুখোমুখি অবস্থান

মোংলা প্রতিনিধি: বাস ভবনের ভাড়া বৃদ্ধি, বেতন-ভাতার বৈষম্য আর কর্মচারীদের উপর উর্ধতন কর্মকর্তাদের জুলুম-অত্যাচার সহ নানা অভিযোগে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও মোংলা বন্দর কর্মচারী সংঘ (সিবিএ) নেতৃবৃন্দ সহ কর্মচারীরা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। গত ২৮ মার্চ বন্দর কর্তৃপক্ষের এক বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত ও এসকল অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জরুরী গেট সভার ডাক দেন কর্মচারী সংঘের নেতৃবৃন্দ। বিকাল ৪টা থেকে এ জরুরী সভা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এসময় জারিকৃত আইন বাতিল না করলে বন্দরের কার্যক্রম অচল করার জন্য বন্দরের চেয়ারম্যান সহ ব্যাবস্থাপনা বিভাগকে হুশিয়ারী দেন কর্মচারীরা।

কর্মচারীদের জরুরী গেট সভায় জানানো হয়, মোংলা বন্দর সৃষ্টির পর থেকে বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ মোংলা ও খুলনাস্থ বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ভবনে বরাদ্ধকৃত বাসায় বসবাস করে আসছিল। ২০১২ সালের ২৮ আগষ্ট এক আদেশ মোতাবেক ২০১৫ সালের বোর্ড সভার ২৮১৮ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাসা ভাড়া দিয়ে আসছিল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কিন্ত বন্দর কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের ২৮ মার্চ এক বোর্ড সভার ২৬৩৪ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক “দি মোংলা পোর্ট অথরিটি অডিয়েন্স-“১৯৭৬” আইন বাতিল করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন “২০২২” কার্যকর করার লক্ষে এর মতামত চেয়ে চিঠি প্রদান করেন বন্দরের ব্যাবস্থাপনা বিভাগ। এসময় কর্মচারীদের পুর্বের সুযোগ সুবিধা ও খরচাদীর ব্যায় কমিয়ে আনারও প্রস্তাব দেয়া হয়।

বন্দরের উর্ধতন কর্মকর্তাদের প্রদানকৃত চিঠি পাওয়া মাত্র মঙ্গলবার বিকালে অফিস শেষে হঠাৎ জরুরী গেট সভার ডাক দেয় বন্দরের কর্মচারী সংঘ (সিবিএ) নেতৃবৃন্দ। মোংলা বন্দরের অফিস শেষ হওয়ার পর পরই মাইকিংয়ের মাধ্যমে কর্মচারীরা সিবিএর কার্যলয়ের সামনে জড়ো হয়। পরে জরুরী সভা ও বিক্ষোভ করেন কর্মচারীরা।এসময় এক পথ সভায় সিবিএ’র সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সংঘের সাধারন সম্পাদক খোরশেদ আলম পল্টু, সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খোকন, মাহবুব আলম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন পাটয়ারী ও সদস্য মোঃ হারুন আর রশিদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

এসময় বক্তারা বলেন, হঠাৎ বন্দরের জারি করা এ আইন ও পুর্বের সকল সুযোগ সুবিধা বাতিল ও কর্মচারীদের ন্যায় সঙ্গত অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন বন্দরের চেয়ারম্যান সহ ব্যাবস্থাপনা বিভাগ। এছাড়া বন্দরের সকল বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তারা কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন। তাই কর্মচারীদের পুর্বের আইন মোতাবেক চলাচল ও শ্রম আইনানুযায়ী না করলে বন্দর অচল সহ কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন সংঘের নেতৃবৃন্দ সহ সাধারন কর্মচারীরা।