Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর উপহার বাগেরহাটে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চেক বিতরণ বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই

শীতেও পানি পান করা জরুরি

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 07:11:46 pm, Tuesday, 17 January 2023
  • 188 বার

ডা. তাহমিদা খানম
মানুষের শরীর ৬০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। ৭০ কেজি ওজনের পুরুষ মানুষের দেহে প্রায় ৪০ লিটার পানীয় অংশ থাকে। যদিও এই পরিমাণ শিশুদের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি এবং নারীদের ক্ষেত্রে কিছু কম হয়ে থাকে। ফলে পানির অন্য নাম ‘জীবন’। পানি ছাড়া জীবের কোনো জৈবিক প্রক্রিয়াই সম্পন্ন হয় না।

বেঁচে থাকার জন্য যে বিভিন্ন রাসায়নিক জিনিস প্রয়োজন হয়, তা কোষের ভেতরে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল হিসেবে যেসব কণা প্রয়োজন, তা রক্তের সঙ্গে মিশে উৎপাদনস্থলে পৌঁছায়। আর রক্তের মূল উপাদান হলো পানি; অর্থাৎ দেহের অভ্যন্তরে প্রতিটি ছোট-বড় জৈব ও রাসায়নিক ক্রিয়া সম্পাদনে পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
আজকের পত্রিকা অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এ ছাড়া শরীরের আরও যেসব উল্লেখযোগ্য কাজে পানির ভূমিকা আছে, সেগুলো হলো:

পানি মুখগহ্বরে লালা তৈরি করে এবং পরিপাকতন্ত্রে প্রথম ধাপ শুরু করে। এরপর পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে খাদ্য পৌঁছানো এবং হজমের সব ধাপ শেষে প্রয়োজনীয় সারাংশ রক্তে পৌঁছে দিয়ে পানি খাদ্য হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শরীরের নিকটবর্তী ও দূরবর্তী প্রতিটি অঙ্গের প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কোষে যাবতীয় পুষ্টি উপাদান ও অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া এবং বিপাকীয় বর্জ্য নিষ্কাশন করা পানির কাজ।
পানি দেহের তাপমাত্রা এবং অম্ল-ক্ষার ও লবণ এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থের ভারসাম্য রক্ষা করে।
বিভিন্ন অঙ্গ, যেমন চোখ, নাক, মুখ জননতন্ত্র ইত্যাদির আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করে।
 অস্থিসন্ধির মসৃণতা বজায় রেখে হাঁটাচলা স্বাভাবিক ও সহজ করে এবং বিভিন্ন ধরনের বয়সজনিত বাত-ব্যথা প্রতিরোধ করে।
মূত্রের মাধ্যমে শরীরের অপ্রয়োজনীয় ও দূষিত পদার্থ বের করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।

বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, কিডনির পাথর, মূত্রনালির প্রদাহ ও সংক্রমণ, বাত-ব্যথা, ত্বকের ব্রণ ও চুলকানি এবং অন্যান্য সংক্রমণ, উচ্চ রক্তচাপ, মাইগ্রেন-জাতীয় মাথাব্যথা, পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য অংশে প্রদাহ এবং সংক্রমণ।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। দূষিত পানি পানে বিভিন্ন অসুখ ও শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক থাকলে সেখান থেকে আর্সেনিকোসিস নামক রোগ দেখা দেয়। পানিতে প্রয়োজনীয় মাত্রার বেশি ফ্লুরাইড থাকলে দাঁতের গঠনগত ও ক্ষয়জনিত রোগ ফ্লুরোসিস হতে পারে। 

উচ্চমাত্রার রাসায়নিক বর্জ্যযুক্ত পানির ক্ষতি উচ্চমাত্রার রাসায়নিক বর্জ্যযুক্ত পানি পানে সেসব ক্ষতি হতে পারে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, চুল পড়ে যাওয়া, চুলকানি ও বিভিন্ন চর্মরোগ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের প্রবণতা বেড়ে যাওয়া।

বিভিন্ন সময় পানি সরবরাহ পাইপ থেকে পানিতে মিশে যায় সিসা। দীর্ঘদিন সিসাযুক্ত পানি পানে ত্বক, চুল, চোখের অসুখ ছাড়াও রক্তশূন্যতাজনিত বিভিন্ন 
রোগ হতে পারে। 

খেতে হবে তরল খাবার শুধু পানিই নয়। পান করতে হবে

শরবত
ফলের রস
লেবুপানি
বিভিন্ন ধরনের চা
স্যুপ ও দুধ
উচ্চ পানি ধারণকারী ফল ও সবজি।

প্রতিদিনের পানির পরিমাণ

প্রতিদিনের বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায়, যেমন ঘাম, মূত্রত্যাগ, মলত্যাগ, শ্বাসপ্রশ্বাস ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা ২ থেকে ৩ লিটার পানি হারাই। পক্ষান্তরে শরীরে প্রতিদিন মাত্র ৪০০ মিলিলিটার পানি তৈরি হয়।

তাই একজন মানুষ প্রতিদিন ন্যূনতম কতটুকু পানি পান করবে বয়স, ওজন, লিঙ্গ, কাজের ধরন, আবহাওয়ার পার্থক্য, দীর্ঘমেয়াদি অসুখ ইত্যাদি বিষয়কে বিবেচনা করে পরিমাপ করা হয়।

দৈনিক কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা আমরা সবাই জানি। এখানে এক গ্লাসে ২০০ মিলিলিটার পানি হিসাব করা হয়। এটি একটি প্রচলিত কথা। খুব সহজভাবে হিসাব করা হয় যে একজন মানুষের ওজনকে ০.০৩৩ দিয়ে ভাগ করলে যা পাওয়া যায়, তাকে দৈনিক তত মিলিলিটার পানি পান করতে হবে। তাই একজন ৭০ কেজি ওজনের মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ২ লিটার বা ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। 

ঠান্ডা নাকি গরম পানি

পানি তো পান করতে হবে, কিন্তু সেই পানি কেমন হলে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত হবে, ঠান্ডা নাকি কুসুম গরম। এ প্রশ্ন কখনো কখনো আমাদের মনে জাগে। ঠান্ডা বা কুসুম গরম পানির পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকলেও সেগুলোর বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ খুব একটা নেই।

কুসুম গরম পানি পানে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন প্রদাহ, হজমের সমস্যা, মাথাব্যথা, ক্লান্তিবোধ ইত্যাদি বিষয়ে উপকার পাওয়া যায়। আবার ঠান্ডা পানি বা বরফের টুকরোমিশ্রিত পানি পানে তীব্র পিপাসা নিবারণে এবং একসঙ্গে বেশি পানি পান করতে সাহায্য করে। তাই ব্যক্তি যে তাপমাত্রার পানি পানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং পর্যাপ্ত পান করতে পারেন, সেটাই তাঁর গ্রহণ করা উচিত। যদিও বিশেষজ্ঞরা রুম তাপমাত্রার পানিকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করেন।

ডা. তাহমিদা খানম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার

শীতেও পানি পান করা জরুরি

আপডেট টাইম : 07:11:46 pm, Tuesday, 17 January 2023

ডা. তাহমিদা খানম
মানুষের শরীর ৬০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। ৭০ কেজি ওজনের পুরুষ মানুষের দেহে প্রায় ৪০ লিটার পানীয় অংশ থাকে। যদিও এই পরিমাণ শিশুদের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি এবং নারীদের ক্ষেত্রে কিছু কম হয়ে থাকে। ফলে পানির অন্য নাম ‘জীবন’। পানি ছাড়া জীবের কোনো জৈবিক প্রক্রিয়াই সম্পন্ন হয় না।

বেঁচে থাকার জন্য যে বিভিন্ন রাসায়নিক জিনিস প্রয়োজন হয়, তা কোষের ভেতরে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল হিসেবে যেসব কণা প্রয়োজন, তা রক্তের সঙ্গে মিশে উৎপাদনস্থলে পৌঁছায়। আর রক্তের মূল উপাদান হলো পানি; অর্থাৎ দেহের অভ্যন্তরে প্রতিটি ছোট-বড় জৈব ও রাসায়নিক ক্রিয়া সম্পাদনে পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
আজকের পত্রিকা অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এ ছাড়া শরীরের আরও যেসব উল্লেখযোগ্য কাজে পানির ভূমিকা আছে, সেগুলো হলো:

পানি মুখগহ্বরে লালা তৈরি করে এবং পরিপাকতন্ত্রে প্রথম ধাপ শুরু করে। এরপর পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে খাদ্য পৌঁছানো এবং হজমের সব ধাপ শেষে প্রয়োজনীয় সারাংশ রক্তে পৌঁছে দিয়ে পানি খাদ্য হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শরীরের নিকটবর্তী ও দূরবর্তী প্রতিটি অঙ্গের প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কোষে যাবতীয় পুষ্টি উপাদান ও অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া এবং বিপাকীয় বর্জ্য নিষ্কাশন করা পানির কাজ।
পানি দেহের তাপমাত্রা এবং অম্ল-ক্ষার ও লবণ এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থের ভারসাম্য রক্ষা করে।
বিভিন্ন অঙ্গ, যেমন চোখ, নাক, মুখ জননতন্ত্র ইত্যাদির আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করে।
 অস্থিসন্ধির মসৃণতা বজায় রেখে হাঁটাচলা স্বাভাবিক ও সহজ করে এবং বিভিন্ন ধরনের বয়সজনিত বাত-ব্যথা প্রতিরোধ করে।
মূত্রের মাধ্যমে শরীরের অপ্রয়োজনীয় ও দূষিত পদার্থ বের করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।

বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, কিডনির পাথর, মূত্রনালির প্রদাহ ও সংক্রমণ, বাত-ব্যথা, ত্বকের ব্রণ ও চুলকানি এবং অন্যান্য সংক্রমণ, উচ্চ রক্তচাপ, মাইগ্রেন-জাতীয় মাথাব্যথা, পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য অংশে প্রদাহ এবং সংক্রমণ।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। দূষিত পানি পানে বিভিন্ন অসুখ ও শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক থাকলে সেখান থেকে আর্সেনিকোসিস নামক রোগ দেখা দেয়। পানিতে প্রয়োজনীয় মাত্রার বেশি ফ্লুরাইড থাকলে দাঁতের গঠনগত ও ক্ষয়জনিত রোগ ফ্লুরোসিস হতে পারে। 

উচ্চমাত্রার রাসায়নিক বর্জ্যযুক্ত পানির ক্ষতি উচ্চমাত্রার রাসায়নিক বর্জ্যযুক্ত পানি পানে সেসব ক্ষতি হতে পারে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, চুল পড়ে যাওয়া, চুলকানি ও বিভিন্ন চর্মরোগ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের প্রবণতা বেড়ে যাওয়া।

বিভিন্ন সময় পানি সরবরাহ পাইপ থেকে পানিতে মিশে যায় সিসা। দীর্ঘদিন সিসাযুক্ত পানি পানে ত্বক, চুল, চোখের অসুখ ছাড়াও রক্তশূন্যতাজনিত বিভিন্ন 
রোগ হতে পারে। 

খেতে হবে তরল খাবার শুধু পানিই নয়। পান করতে হবে

শরবত
ফলের রস
লেবুপানি
বিভিন্ন ধরনের চা
স্যুপ ও দুধ
উচ্চ পানি ধারণকারী ফল ও সবজি।

প্রতিদিনের পানির পরিমাণ

প্রতিদিনের বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায়, যেমন ঘাম, মূত্রত্যাগ, মলত্যাগ, শ্বাসপ্রশ্বাস ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা ২ থেকে ৩ লিটার পানি হারাই। পক্ষান্তরে শরীরে প্রতিদিন মাত্র ৪০০ মিলিলিটার পানি তৈরি হয়।

তাই একজন মানুষ প্রতিদিন ন্যূনতম কতটুকু পানি পান করবে বয়স, ওজন, লিঙ্গ, কাজের ধরন, আবহাওয়ার পার্থক্য, দীর্ঘমেয়াদি অসুখ ইত্যাদি বিষয়কে বিবেচনা করে পরিমাপ করা হয়।

দৈনিক কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা আমরা সবাই জানি। এখানে এক গ্লাসে ২০০ মিলিলিটার পানি হিসাব করা হয়। এটি একটি প্রচলিত কথা। খুব সহজভাবে হিসাব করা হয় যে একজন মানুষের ওজনকে ০.০৩৩ দিয়ে ভাগ করলে যা পাওয়া যায়, তাকে দৈনিক তত মিলিলিটার পানি পান করতে হবে। তাই একজন ৭০ কেজি ওজনের মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ২ লিটার বা ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। 

ঠান্ডা নাকি গরম পানি

পানি তো পান করতে হবে, কিন্তু সেই পানি কেমন হলে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত হবে, ঠান্ডা নাকি কুসুম গরম। এ প্রশ্ন কখনো কখনো আমাদের মনে জাগে। ঠান্ডা বা কুসুম গরম পানির পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকলেও সেগুলোর বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ খুব একটা নেই।

কুসুম গরম পানি পানে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন প্রদাহ, হজমের সমস্যা, মাথাব্যথা, ক্লান্তিবোধ ইত্যাদি বিষয়ে উপকার পাওয়া যায়। আবার ঠান্ডা পানি বা বরফের টুকরোমিশ্রিত পানি পানে তীব্র পিপাসা নিবারণে এবং একসঙ্গে বেশি পানি পান করতে সাহায্য করে। তাই ব্যক্তি যে তাপমাত্রার পানি পানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং পর্যাপ্ত পান করতে পারেন, সেটাই তাঁর গ্রহণ করা উচিত। যদিও বিশেষজ্ঞরা রুম তাপমাত্রার পানিকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করেন।

ডা. তাহমিদা খানম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল