Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:40:05 pm, Monday, 26 October 2026
  • 26 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক,বাগেরহাট:বঙ্গোপসাগরে অবৈধ কাঠ বডি ট্রলিং দিয়ে মাছ আহরণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা ট্রলার মালিক ও জেলে পরিবারের ব্যানারে এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আমানী, জেলে আক্কাস আলী, সাইদুল মোল্লা, নজরুল ইসলাম, আশারেফ মোল্লা প্রমুখ।

জেলেদের দাবি, বঙ্গোপসাগরে যেসব কাঠবডি ট্রলিং জলযান মাছ আহরণ করে তাদের কোন অনুমোদন নাই। তারা অবৈধভাবেই মাছ ধরে। অনেক ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করার কারণে সাগরের ছোট-বড় সব মাছ ওই জালে ওঠে। বিক্রির উপযোগী মাছ রেখে অবশিষ্ট মাছ তারা মেরে ফেলে। এই ট্রলিং জাহাজগুলো সাগরের ছোট বড় ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস করছে। ট্রলিংয়ের মাধ্যমে মাছ আহরণ এখনই বন্ধ না করলে কয়েক বছরের মধ্যে সাগর মাছ শূন্য হয়ে পড়বে। ইতোমধ্যে ইলিশের সংখ্যা কমেছে। যেসব স্থানে ট্রলিংয়ের মাছ বিক্রি হয় সেসব বাজারেও অভিযান চালানোর দাবি জানান জেলেরা।

সমুদ্রগামী সাধারণ জেলেরা বড় ফাঁসের জাল দিয়ে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করেন। কিন্তু প্রভাবশালী ট্রলিংয়ের মালিকরা ছোট ফাঁসের জাল দিলে মাছের বীজ থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ ধরে যার ফরে সমুদ্রে মাছের সংখ্যা কমছে প্রতিনিয়ত।

বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আমানী বলেন, সমুদ্রে এক সময় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু দিন দিন মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ ট্রলিংয়ের মাধ্যমে ছোট মাছ মেরে ফেলা। যার ফলে সাধারণ জেলেদের জীবিকায় যেমন টান পরছে তেমনি, রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আমাদের দাবি একটাই ট্রলিং বন্ধ করা হোক এবং ট্রলিংয়ের মাধ্যমে ধরা মাছ ক্রয়-বিক্রয় বন্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দাবি জানান জেলে নেতা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

আপডেট টাইম : 05:40:05 pm, Monday, 26 October 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক,বাগেরহাট:বঙ্গোপসাগরে অবৈধ কাঠ বডি ট্রলিং দিয়ে মাছ আহরণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা ট্রলার মালিক ও জেলে পরিবারের ব্যানারে এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আমানী, জেলে আক্কাস আলী, সাইদুল মোল্লা, নজরুল ইসলাম, আশারেফ মোল্লা প্রমুখ।

জেলেদের দাবি, বঙ্গোপসাগরে যেসব কাঠবডি ট্রলিং জলযান মাছ আহরণ করে তাদের কোন অনুমোদন নাই। তারা অবৈধভাবেই মাছ ধরে। অনেক ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করার কারণে সাগরের ছোট-বড় সব মাছ ওই জালে ওঠে। বিক্রির উপযোগী মাছ রেখে অবশিষ্ট মাছ তারা মেরে ফেলে। এই ট্রলিং জাহাজগুলো সাগরের ছোট বড় ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস করছে। ট্রলিংয়ের মাধ্যমে মাছ আহরণ এখনই বন্ধ না করলে কয়েক বছরের মধ্যে সাগর মাছ শূন্য হয়ে পড়বে। ইতোমধ্যে ইলিশের সংখ্যা কমেছে। যেসব স্থানে ট্রলিংয়ের মাছ বিক্রি হয় সেসব বাজারেও অভিযান চালানোর দাবি জানান জেলেরা।

সমুদ্রগামী সাধারণ জেলেরা বড় ফাঁসের জাল দিয়ে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করেন। কিন্তু প্রভাবশালী ট্রলিংয়ের মালিকরা ছোট ফাঁসের জাল দিলে মাছের বীজ থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ ধরে যার ফরে সমুদ্রে মাছের সংখ্যা কমছে প্রতিনিয়ত।

বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আমানী বলেন, সমুদ্রে এক সময় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু দিন দিন মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ ট্রলিংয়ের মাধ্যমে ছোট মাছ মেরে ফেলা। যার ফলে সাধারণ জেলেদের জীবিকায় যেমন টান পরছে তেমনি, রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আমাদের দাবি একটাই ট্রলিং বন্ধ করা হোক এবং ট্রলিংয়ের মাধ্যমে ধরা মাছ ক্রয়-বিক্রয় বন্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দাবি জানান জেলে নেতা।