Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

ট্রাম্পের হুমকির পর ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল জি-৭

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:57:03 pm, Saturday, 3 October 2026
  • 49 বার

আমার ডেক্স:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে নিজেদের জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছাড়তে রাজি হয়েছে জি-৭। সরবরাহ সংকটের কারণে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার বাজারে তেল ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে জি-৭।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) এ বিষয়ে একমত হয় শিল্পোন্নত সাত দেশের এই জোট। একই সঙ্গে এই দেশগুলো থেকে জ্বালানি তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে হুমকি দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে নিজেদের জ্বালানি মজুত ছাড়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। কারণ, দিন দিন মার্কিন ডিজেলের ওপর আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে ইউরোপ।
বিজ্ঞাপন

জ্বালানি তেল ছাড় নিয়ে ট্রাম্পের এই চাপাচাপি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের যে দাম বেড়েছে, তার লাগাম নির্বাচনের আগেই টানতে চাইছেন তিনি। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর দামের চাপ কিছুটা কমাতে পারে। তবে এর ফলে বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে ডিজেলের দাম বেড়ে যেতে পারে। এর আগে গত মার্চে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সমন্বয়ে জরুরি মজুত থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এক যৌথ বিবৃতিতে জি-৭ দেশগুলো বলেছে, তারা একে অপরের বিরুদ্ধে জ্বালানি ও জ্বালানি-জাতীয় পণ্যের রফতানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত থাকবে।

এই জোটের সদস্য দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্স। ইউরোপীয় ইউনিয়নও তাদের বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করে।

যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো বলেছে, ‘এরই মধ্যে পূরণ করা প্রতিশ্রুতিগুলো বিবেচনায় নিয়ে আমরা আইইএর মাধ্যমে সমন্বিতভাবে ১০ কোটি ব্যারেল ছাড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।’ জ্বালানি তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে এবং চার মাস ধরে চলবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী ২০ দিনের মধ্যে জি-৭ দেশগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল ছাড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। তবে এই ১০ কোটি ব্যারেলের মধ্যে কতটা অপরিশোধিত তেল এবং কতটা ডিজেল থাকবে, তার বিস্তারিত জানানো হয়নি। এটুকু বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ডিজেল ছাড়ার বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে আইইএর আওতায় একটি বৈঠক হবে।

ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের মজুত থেকে আরও জ্বালানি বাজারে না ছাড়লে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রফতানি বন্ধ করে দিতে পারে।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, ‘ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণ মজুত ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে।’

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এর আগে বলেছিলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার পুরো বোঝা যেন মার্কিন কৃষক, ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীদের ওপর না পড়ে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ট্রাম্পের হুমকির পর ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল জি-৭

আপডেট টাইম : 05:57:03 pm, Saturday, 3 October 2026

আমার ডেক্স:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে নিজেদের জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছাড়তে রাজি হয়েছে জি-৭। সরবরাহ সংকটের কারণে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার বাজারে তেল ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে জি-৭।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) এ বিষয়ে একমত হয় শিল্পোন্নত সাত দেশের এই জোট। একই সঙ্গে এই দেশগুলো থেকে জ্বালানি তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে হুমকি দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে নিজেদের জ্বালানি মজুত ছাড়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। কারণ, দিন দিন মার্কিন ডিজেলের ওপর আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে ইউরোপ।
বিজ্ঞাপন

জ্বালানি তেল ছাড় নিয়ে ট্রাম্পের এই চাপাচাপি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের যে দাম বেড়েছে, তার লাগাম নির্বাচনের আগেই টানতে চাইছেন তিনি। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর দামের চাপ কিছুটা কমাতে পারে। তবে এর ফলে বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে ডিজেলের দাম বেড়ে যেতে পারে। এর আগে গত মার্চে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সমন্বয়ে জরুরি মজুত থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এক যৌথ বিবৃতিতে জি-৭ দেশগুলো বলেছে, তারা একে অপরের বিরুদ্ধে জ্বালানি ও জ্বালানি-জাতীয় পণ্যের রফতানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত থাকবে।

এই জোটের সদস্য দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্স। ইউরোপীয় ইউনিয়নও তাদের বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করে।

যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো বলেছে, ‘এরই মধ্যে পূরণ করা প্রতিশ্রুতিগুলো বিবেচনায় নিয়ে আমরা আইইএর মাধ্যমে সমন্বিতভাবে ১০ কোটি ব্যারেল ছাড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।’ জ্বালানি তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে এবং চার মাস ধরে চলবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী ২০ দিনের মধ্যে জি-৭ দেশগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল ছাড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। তবে এই ১০ কোটি ব্যারেলের মধ্যে কতটা অপরিশোধিত তেল এবং কতটা ডিজেল থাকবে, তার বিস্তারিত জানানো হয়নি। এটুকু বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ডিজেল ছাড়ার বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে আইইএর আওতায় একটি বৈঠক হবে।

ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের মজুত থেকে আরও জ্বালানি বাজারে না ছাড়লে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রফতানি বন্ধ করে দিতে পারে।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, ‘ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণ মজুত ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে।’

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এর আগে বলেছিলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার পুরো বোঝা যেন মার্কিন কৃষক, ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীদের ওপর না পড়ে।