Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

তেঁতুলতলা মাঠের জমি ২৭ কোটি টাকায় কেনা হয়েছে, দাবি ডিএমপির

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 10:34:51 pm, Tuesday, 26 April 2022
  • 180 বার

সেখানে বলা হয়, কলাবাগান থানার জন্য অধিগ্রহণ করা দশমিক ২০ একর জমি জরিপ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তি ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন। জনস্বার্থে সরকার ডিএমপির কলাবাগান থানা নির্মাণের জন্য দেশের প্রচলিত সব আইন কানুন মেনে বরাদ্দ দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ডিএমপি কোনো ব্যক্তির বা সংস্থার জমিতে বেআইনিভাবে থানা ভবন নির্মাণ করছে না। বিকল্প খেলার মাঠ ব্যবস্থার বিষয়টি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত নয় বলেও জানায় ডিএমপি। ডিএমপির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে পুরো জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার ১৩টি ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। প্রথমে কলাবাগান থানার জন্য দশমিক ২০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন মেলে। সরকারি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে রাজউকের কোনো আপত্তি নেই মর্মে ছাড়পত্র পাওয়া যায়। এরপর জায়গাটির প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার আরবান রেসিডেনসিয়াল জোন (নগর আবাসিক এলাকা) হিসেবে চিহ্নিত আছে মর্মে নগর উন্নয়নের ছাড়পত্রের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের অনাপত্তিপত্র নিয়েছে ডিএমপি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় সংসদ সদস্য ওই জমিতে এলাকাবাসীর নিরাপত্তার সুবিধার্থে স্থায়ীভাবে কলাবাগান থানা স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন। ঢাকা জেলা প্রশাসক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদনে ওই জমি অধিগ্রহণের জন্য সুপারিশসহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের মতামত পাঠানোর পরেই সরকারের কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটিতে কলাবাগান থানার জন্য দশমিক ২০ একর জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়। ডিএমপি বলছে, জেলা প্রশাসক জমির ক্ষতিপূরণ মূল্য বাবদ ডিএমপি কমিশনার ঢাকা ২৭ কোটি ৫৪ লাখ ৪১ হাজার ৭১০ টাকার প্রাক্কলন করেন, এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ব্যয় মঞ্জুরি পাওয়ার পর চেকের মাধ্যমে সেই টাকা পরিশোধ করা হয়। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা সরেজমিনে ডিএমপিকে ওই জমির দখল ভার হস্তান্তর করেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ডিসি অফিসের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মাধ্যমে কলাবাগান থানার জমি অধিগৃহীত ও দখল হস্তান্তর বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়।

গত ২৭ মার্চ জমির নামজারি ও জমা ভাগকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ডিএমপি। আরও বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত থানার জায়গা তেঁতুলতলা মাঠ থেকে কিছু দূরে কলাবাগান মাঠ রয়েছে। সেখানে বাচ্চাদের খেলাধুলাসহ সামাজিক অনুষ্ঠান করার সুযোগ রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

তেঁতুলতলা মাঠের জমি ২৭ কোটি টাকায় কেনা হয়েছে, দাবি ডিএমপির

আপডেট টাইম : 10:34:51 pm, Tuesday, 26 April 2022

সেখানে বলা হয়, কলাবাগান থানার জন্য অধিগ্রহণ করা দশমিক ২০ একর জমি জরিপ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তি ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন। জনস্বার্থে সরকার ডিএমপির কলাবাগান থানা নির্মাণের জন্য দেশের প্রচলিত সব আইন কানুন মেনে বরাদ্দ দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ডিএমপি কোনো ব্যক্তির বা সংস্থার জমিতে বেআইনিভাবে থানা ভবন নির্মাণ করছে না। বিকল্প খেলার মাঠ ব্যবস্থার বিষয়টি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত নয় বলেও জানায় ডিএমপি। ডিএমপির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে পুরো জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার ১৩টি ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। প্রথমে কলাবাগান থানার জন্য দশমিক ২০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন মেলে। সরকারি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে রাজউকের কোনো আপত্তি নেই মর্মে ছাড়পত্র পাওয়া যায়। এরপর জায়গাটির প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার আরবান রেসিডেনসিয়াল জোন (নগর আবাসিক এলাকা) হিসেবে চিহ্নিত আছে মর্মে নগর উন্নয়নের ছাড়পত্রের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের অনাপত্তিপত্র নিয়েছে ডিএমপি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় সংসদ সদস্য ওই জমিতে এলাকাবাসীর নিরাপত্তার সুবিধার্থে স্থায়ীভাবে কলাবাগান থানা স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন। ঢাকা জেলা প্রশাসক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদনে ওই জমি অধিগ্রহণের জন্য সুপারিশসহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের মতামত পাঠানোর পরেই সরকারের কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটিতে কলাবাগান থানার জন্য দশমিক ২০ একর জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়। ডিএমপি বলছে, জেলা প্রশাসক জমির ক্ষতিপূরণ মূল্য বাবদ ডিএমপি কমিশনার ঢাকা ২৭ কোটি ৫৪ লাখ ৪১ হাজার ৭১০ টাকার প্রাক্কলন করেন, এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ব্যয় মঞ্জুরি পাওয়ার পর চেকের মাধ্যমে সেই টাকা পরিশোধ করা হয়। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা সরেজমিনে ডিএমপিকে ওই জমির দখল ভার হস্তান্তর করেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ডিসি অফিসের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মাধ্যমে কলাবাগান থানার জমি অধিগৃহীত ও দখল হস্তান্তর বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়।

গত ২৭ মার্চ জমির নামজারি ও জমা ভাগকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ডিএমপি। আরও বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত থানার জায়গা তেঁতুলতলা মাঠ থেকে কিছু দূরে কলাবাগান মাঠ রয়েছে। সেখানে বাচ্চাদের খেলাধুলাসহ সামাজিক অনুষ্ঠান করার সুযোগ রয়েছে।