Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা
হরিণ শিকার রোধে বন বিভাগের অভিনব সিদ্ধান্ত

দুই হাজার টাকা পুরস্কার মিলবে এক কেজি ফাঁদে

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:28:13 pm, Saturday, 3 May 2025
  • 96 বার

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট:বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করীম চৌধুরী ৩০ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণের পরে সুন্দরবনে হরিণ ধরার জালের ফাঁদ উদ্ধারে অভিনব ঘোষণা দিয়েছেন। পূর্ব সুন্দরবনে হরিণ ধরার এক কেজি নাইলনের জালের বিনিময়ে মিলবে দুই হাজার টাকা। হরিণ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবন বিভাগ এমন অভিনব সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে হরিণ শিকার বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্ব বন বিভাগে নবাগত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করীম চৌধুরী গত ৩০ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণের পরে সুন্দরবনে হরিণ ধরার জালের ফাঁদ উদ্ধারে অভিনব ঘোষণা দিয়েছেন। কেউ নাইলনের জালের ফাঁদ জমা দিলে প্রতি কেজি ফাঁদের বিনিময়ে তাকে দু’হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেয়া হবে। হরিণ শিকারীরা নাইলনের দড়ি দিয়ে এক ধরনের ফাঁদ তৈরি করে। ওই ফাঁদ সুন্দরবনের গহীনে পেতে বসে থাকে শিকারীরা। হরিণ দৌড়ে যাওয়ার সময় পেতে রাখা ফাঁদে আটকা পড়ে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রানা দেব বলেন, ‘সুন্দরবনের জেলে মৌয়ালীদের ফাঁদ উদ্ধার করে জমা দেয়ার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কেউ বনে ফাঁদ দেখলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বনরক্ষীদের সাথে নিয়ে ফাঁদ উদ্ধার করতে হবে বলে এসিএফ জানান।’

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ বাগেরহাটের নবাগত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো: রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। শিকারীরা ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে থাকে। যেহেতু জেলেরা ও বিশেষ করে মৌয়ালীরা গহীন বনে হেঁটে-হেঁটে মধুর চাক সংগ্রহ করে থাকে। এ সময় মৌয়ালীদের চোখে হরিণের ফাঁদ দেখা সহজেই সম্ভব। সে কারণে জালের ফাঁদ উদ্ধারে কেজি প্রতি জালের বিনিময়ে দুই হাজার টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।’

এ ঘোষণার ফলে হরিণ শিকার প্রতিরোধে ভালো সুফল পাওয়া যাবে বলে নবাগত ডিএফও আশা প্রকাশ করেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

হরিণ শিকার রোধে বন বিভাগের অভিনব সিদ্ধান্ত

দুই হাজার টাকা পুরস্কার মিলবে এক কেজি ফাঁদে

আপডেট টাইম : 06:28:13 pm, Saturday, 3 May 2025

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট:বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করীম চৌধুরী ৩০ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণের পরে সুন্দরবনে হরিণ ধরার জালের ফাঁদ উদ্ধারে অভিনব ঘোষণা দিয়েছেন। পূর্ব সুন্দরবনে হরিণ ধরার এক কেজি নাইলনের জালের বিনিময়ে মিলবে দুই হাজার টাকা। হরিণ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবন বিভাগ এমন অভিনব সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে হরিণ শিকার বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্ব বন বিভাগে নবাগত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করীম চৌধুরী গত ৩০ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণের পরে সুন্দরবনে হরিণ ধরার জালের ফাঁদ উদ্ধারে অভিনব ঘোষণা দিয়েছেন। কেউ নাইলনের জালের ফাঁদ জমা দিলে প্রতি কেজি ফাঁদের বিনিময়ে তাকে দু’হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেয়া হবে। হরিণ শিকারীরা নাইলনের দড়ি দিয়ে এক ধরনের ফাঁদ তৈরি করে। ওই ফাঁদ সুন্দরবনের গহীনে পেতে বসে থাকে শিকারীরা। হরিণ দৌড়ে যাওয়ার সময় পেতে রাখা ফাঁদে আটকা পড়ে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রানা দেব বলেন, ‘সুন্দরবনের জেলে মৌয়ালীদের ফাঁদ উদ্ধার করে জমা দেয়ার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কেউ বনে ফাঁদ দেখলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বনরক্ষীদের সাথে নিয়ে ফাঁদ উদ্ধার করতে হবে বলে এসিএফ জানান।’

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ বাগেরহাটের নবাগত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো: রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। শিকারীরা ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে থাকে। যেহেতু জেলেরা ও বিশেষ করে মৌয়ালীরা গহীন বনে হেঁটে-হেঁটে মধুর চাক সংগ্রহ করে থাকে। এ সময় মৌয়ালীদের চোখে হরিণের ফাঁদ দেখা সহজেই সম্ভব। সে কারণে জালের ফাঁদ উদ্ধারে কেজি প্রতি জালের বিনিময়ে দুই হাজার টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।’

এ ঘোষণার ফলে হরিণ শিকার প্রতিরোধে ভালো সুফল পাওয়া যাবে বলে নবাগত ডিএফও আশা প্রকাশ করেছেন।