Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

দুবলার চরে রাস উৎসব শেষ হয়েছে, হয়নি মেলা

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:53:04 pm, Tuesday, 8 November 2022
  • 139 বার

মোংলা প্রতিনিধি:ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর বঙ্গোপসাগরের লোনা জলে পূণ্যস্নানের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মবলম্বীদের রাস উৎসব। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ভোর ৬টায় পূজা অর্চনা শেষে জোয়ারের পানিতে শুরু হওয়া পূণ্যস্নান শেষ হয় সকাল ৭টায়। হাজার হাজার পূণ্যার্থীরা এই স্নানে অংশ নেয়। এবার শুধুমাত্র পূণ্যর্থীদের আগমনে রাস উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিকতার কোন কমতি ছিলনা হিন্দু ধর্মবলম্বীদের। মনোবাসনা, পাপমোচন ও সৃষ্টিকর্তার কৃপালাভের জন্য এসময় পূণ্যার্থীরা মন্ত্রপাঠ ও শঙ্খ বাজিয়ে আরাধানায় মগ্ন থাকে। এর আগে রবিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় তিনদিন ব্যাপী এবারের রাস উৎসব। তবে আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারও হয়নি রাস মেলা।

প্রতিবছর কার্তিক মাসের (খ্রিস্টীয় নভেম্বর) হিন্দু ধর্মবলম্বীদের রাস উৎসব এবং পূণ্যস্নানের জন্য দুবলার চর বিখ্যাত। যদিও বলা হয় থাকে, ১০০ বছর ধরে এ রাস উৎসব হয়ে আসছে। তবে জানা যায়, ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে হরিচাঁদ ঠাকুরের এক হরিজন বনবাসী ভক্ত (১৮২৯-১৯২৩) এই রাস উৎসব চালু করেন। প্রতিবছর অসংখ্য পূণ্যার্থী রাস পূর্ণিমাকে উপলক্ষ করে এখানে সমুদ্র স্নান করতে আসেন। দুবলার চরে সূর্যোদয় দেখে ভক্তরা সমুদ্রের জলে ফল ভাসিয়ে দেন। কেউবা আবার বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ভজন-কীর্তন গেয়ে মুখরিত করেন চারপাশ।

আবার কারো কারো মতে, শারদীয় দূর্গোৎসবের পর পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্যে মেতেছিলেন শ্রীকৃঞ্ষ। এ উপলক্ষেই দুবলায় পালিত হয়ে আসছে রাস উৎসব।

সুন্দরবনের খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো বলেন, কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে এবারের রাস উৎসব। প্রায় ১০ হাজার পূর্ণার্থী এই উৎসবে যোগ দেয় বলেও জানান তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দুবলার চরে রাস উৎসব শেষ হয়েছে, হয়নি মেলা

আপডেট টাইম : 05:53:04 pm, Tuesday, 8 November 2022

মোংলা প্রতিনিধি:ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর বঙ্গোপসাগরের লোনা জলে পূণ্যস্নানের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মবলম্বীদের রাস উৎসব। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ভোর ৬টায় পূজা অর্চনা শেষে জোয়ারের পানিতে শুরু হওয়া পূণ্যস্নান শেষ হয় সকাল ৭টায়। হাজার হাজার পূণ্যার্থীরা এই স্নানে অংশ নেয়। এবার শুধুমাত্র পূণ্যর্থীদের আগমনে রাস উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিকতার কোন কমতি ছিলনা হিন্দু ধর্মবলম্বীদের। মনোবাসনা, পাপমোচন ও সৃষ্টিকর্তার কৃপালাভের জন্য এসময় পূণ্যার্থীরা মন্ত্রপাঠ ও শঙ্খ বাজিয়ে আরাধানায় মগ্ন থাকে। এর আগে রবিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় তিনদিন ব্যাপী এবারের রাস উৎসব। তবে আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারও হয়নি রাস মেলা।

প্রতিবছর কার্তিক মাসের (খ্রিস্টীয় নভেম্বর) হিন্দু ধর্মবলম্বীদের রাস উৎসব এবং পূণ্যস্নানের জন্য দুবলার চর বিখ্যাত। যদিও বলা হয় থাকে, ১০০ বছর ধরে এ রাস উৎসব হয়ে আসছে। তবে জানা যায়, ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে হরিচাঁদ ঠাকুরের এক হরিজন বনবাসী ভক্ত (১৮২৯-১৯২৩) এই রাস উৎসব চালু করেন। প্রতিবছর অসংখ্য পূণ্যার্থী রাস পূর্ণিমাকে উপলক্ষ করে এখানে সমুদ্র স্নান করতে আসেন। দুবলার চরে সূর্যোদয় দেখে ভক্তরা সমুদ্রের জলে ফল ভাসিয়ে দেন। কেউবা আবার বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ভজন-কীর্তন গেয়ে মুখরিত করেন চারপাশ।

আবার কারো কারো মতে, শারদীয় দূর্গোৎসবের পর পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্যে মেতেছিলেন শ্রীকৃঞ্ষ। এ উপলক্ষেই দুবলায় পালিত হয়ে আসছে রাস উৎসব।

সুন্দরবনের খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো বলেন, কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে এবারের রাস উৎসব। প্রায় ১০ হাজার পূর্ণার্থী এই উৎসবে যোগ দেয় বলেও জানান তিনি।