Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীরা দেশের শত্রু : হাইকোর্ট

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 12:15:29 am, Tuesday, 28 June 2022
  • 150 বার

পদ্মা সেতু নিয়ে বিরোধিতাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে।

নিউজ ডেস্ক:পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। পদ্মা সেতু নিয়ে বিরোধিতাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু বলে মন্তব্য করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রে যুক্ত প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করার জন্য কমিশন গঠন প্রশ্নে রুল শুনানির জন্য উঠলে আদালত এই মন্তব্য করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন ও দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানিতে ছিলেন।

এক পর্যায়ে আদালত বলেন, ষড়যন্ত্র না থাকলে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বন্ধ করলো কেন। এরপর আদালত আজ মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইউনূসের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান, বিচার দাবি’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। এটিসহ কয়েকটি দৈনিকের প্রতিবেদন নজরে এলে ২০১৭ সালের ২০ ডিসেম্বর হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দেন। রুলে পদ্মা সেতুর নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্রে যুক্ত প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে দোষী ব্যক্তিদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, যোগাযোগসচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

এ প্রেক্ষাপটে কমিশন গঠন ও কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, ৩০ দিনের মধ্যে এর অগ্রগতিও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানাতে বলা হয়েছিল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীরা দেশের শত্রু : হাইকোর্ট

আপডেট টাইম : 12:15:29 am, Tuesday, 28 June 2022

পদ্মা সেতু নিয়ে বিরোধিতাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে।

নিউজ ডেস্ক:পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। পদ্মা সেতু নিয়ে বিরোধিতাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু বলে মন্তব্য করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রে যুক্ত প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করার জন্য কমিশন গঠন প্রশ্নে রুল শুনানির জন্য উঠলে আদালত এই মন্তব্য করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন ও দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানিতে ছিলেন।

এক পর্যায়ে আদালত বলেন, ষড়যন্ত্র না থাকলে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বন্ধ করলো কেন। এরপর আদালত আজ মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইউনূসের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান, বিচার দাবি’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। এটিসহ কয়েকটি দৈনিকের প্রতিবেদন নজরে এলে ২০১৭ সালের ২০ ডিসেম্বর হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দেন। রুলে পদ্মা সেতুর নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্রে যুক্ত প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে দোষী ব্যক্তিদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, যোগাযোগসচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

এ প্রেক্ষাপটে কমিশন গঠন ও কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, ৩০ দিনের মধ্যে এর অগ্রগতিও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানাতে বলা হয়েছিল।