Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

বাল্যবিয়ে পন্ড, ৬ মাসের কারাদন্ড কনের বাবার

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 11:46:58 pm, Tuesday, 14 June 2022
  • 150 বার

কনের বাবাকে ৬মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

শরণখোলা প্রতিনিধি:বাগেরহাটের শরণখোলায় বাল্যবিয়ে ভেঙে দিয়ে কনের বাবাকে ৬মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে দন্ডিত আবুল বাকিরকে (৫০) জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তার বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার তেঁতুলতলা মহেশ্বরীপুর গ্রামে। সোমবার গভীর রাতে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে কনের নানা শাহ আলম মুন্সির বাড়িতে এই বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শরণখোলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের মো. হারুন হাওলাদারের ছেলে বাদলের সঙ্গে কয়রার আবুল বারিকের মেয়ে তানিয়া আক্তারের (১৫) বিয়ে ঠিক হয়। সে অনুযায়ী মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর শাহ আলমের বাড়িতে আসেন আবুল বারিক। অনেকটার গোপনীতা রক্ষা করে গভীর রাতে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। কাজী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আগমুহুর্তে খবর পেয়ে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। এসময় বর বাদল হাওলাদার, বরের বাবা হারুন হাওলাদার এবং কাজী পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, আবুল বাকির তার মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া আক্তারকে নিটক আত্মীয় হারুন হাওলাদারের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এমন খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে পুলিশ নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে কাজীসহ বর ও বরের বাবা পালিয়ে যান। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। এসময় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের বাবা আবুল বারিককে ৬মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাল্যবিয়ে পন্ড, ৬ মাসের কারাদন্ড কনের বাবার

আপডেট টাইম : 11:46:58 pm, Tuesday, 14 June 2022

কনের বাবাকে ৬মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

শরণখোলা প্রতিনিধি:বাগেরহাটের শরণখোলায় বাল্যবিয়ে ভেঙে দিয়ে কনের বাবাকে ৬মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে দন্ডিত আবুল বাকিরকে (৫০) জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তার বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার তেঁতুলতলা মহেশ্বরীপুর গ্রামে। সোমবার গভীর রাতে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে কনের নানা শাহ আলম মুন্সির বাড়িতে এই বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শরণখোলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের মো. হারুন হাওলাদারের ছেলে বাদলের সঙ্গে কয়রার আবুল বারিকের মেয়ে তানিয়া আক্তারের (১৫) বিয়ে ঠিক হয়। সে অনুযায়ী মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর শাহ আলমের বাড়িতে আসেন আবুল বারিক। অনেকটার গোপনীতা রক্ষা করে গভীর রাতে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। কাজী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আগমুহুর্তে খবর পেয়ে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। এসময় বর বাদল হাওলাদার, বরের বাবা হারুন হাওলাদার এবং কাজী পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, আবুল বাকির তার মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া আক্তারকে নিটক আত্মীয় হারুন হাওলাদারের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এমন খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে পুলিশ নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে কাজীসহ বর ও বরের বাবা পালিয়ে যান। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। এসময় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের বাবা আবুল বারিককে ৬মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।