Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

সরকারি গাছ বিক্রিতে বাধা, ছেলের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মা!

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:23:29 pm, Sunday, 13 April 2025
  • 191 বার

নিজেস্ব প্রতিবেদক:বাগেরহাটর সদর উপজেলায় সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় মিষ্টি ব্যবসায়ী রাম গুসল তিনটি বনজ গাছ – একটি মেগনি ও দুইটি মেহগনি গাছ বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। তবে গাছ বিক্রি ঠেকাতে ছেলের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন তারই মা।
ঘটনাটি ভাটপাড়া বালিয়া ডাঙ্গা রাস্তার পাশে ঘটেছে। অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সংবাদকর্মীরা গাছ ক্রেতা জামাল শেখের লোকজনের মুখোমুখি হন। , দুটি মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক বলেন৷ এই সেই ‘সাংঘাতিক’ বলে মার মুখে আচরণ করে সাংবাদিকদের। কিছু সময় পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়, তবে তাদের কাছে গাছ বিক্রি নিয়ে কোনো বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা সম্পূর্ণ নীরব থাকেন।

স্থানীয় গাছ ক্রেতা জামাল শেখ এই গাছ ক্রয় করেছেন তাকে পাওয়া না গেলেও তার লোকজন এসে ঘটনাস্থলে হাজির হয়। দুই যুবক মোটরসাইকেল এসে কোন সাংঘাতিক বলে সংবাদকর্মীদের উল্লেখ করে। পরে ঘটনাস্থলে কয়েকজন উপস্থিত হলে। তার নিরব হয়ে যায়। তাদের কাছে গণবোধ্যম কর্মীরা বক্তব্য চাইলে তারা কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

স্থানীয় সমাজকর্মী মিজানুর রহমান বলেন, “সরকারি গাছ মানে জনগণের সম্পদ। এসব গাছ ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করার অধিকার কারো নেই। এমন ঘটনায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি।”

আরেকজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আবদুল কাইয়ুম বলেন, গাছ বিক্রি নয়, বরং সংরক্ষণ জরুরি। মা যেভাবে প্রতিবাদ করেছেন, তা সমাজের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। সন্তানকে থামাতে মায়ের এমন ভূমিকা খুবই প্রশংসনীয়।

অভিযুক্ত রাম গুসল জানান, তার মা অসুস্থ এবং মায়ের হাতে লাগানো জমির শেষ প্রান্তের গাছ তিনি আইনকানুন না জেনেই বিক্রি করেছেন।

এদিকে, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি এম রফিক আহমেদ জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সরকারি গাছ বিক্রিতে বাধা, ছেলের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মা!

আপডেট টাইম : 06:23:29 pm, Sunday, 13 April 2025

নিজেস্ব প্রতিবেদক:বাগেরহাটর সদর উপজেলায় সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় মিষ্টি ব্যবসায়ী রাম গুসল তিনটি বনজ গাছ – একটি মেগনি ও দুইটি মেহগনি গাছ বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। তবে গাছ বিক্রি ঠেকাতে ছেলের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন তারই মা।
ঘটনাটি ভাটপাড়া বালিয়া ডাঙ্গা রাস্তার পাশে ঘটেছে। অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সংবাদকর্মীরা গাছ ক্রেতা জামাল শেখের লোকজনের মুখোমুখি হন। , দুটি মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক বলেন৷ এই সেই ‘সাংঘাতিক’ বলে মার মুখে আচরণ করে সাংবাদিকদের। কিছু সময় পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়, তবে তাদের কাছে গাছ বিক্রি নিয়ে কোনো বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা সম্পূর্ণ নীরব থাকেন।

স্থানীয় গাছ ক্রেতা জামাল শেখ এই গাছ ক্রয় করেছেন তাকে পাওয়া না গেলেও তার লোকজন এসে ঘটনাস্থলে হাজির হয়। দুই যুবক মোটরসাইকেল এসে কোন সাংঘাতিক বলে সংবাদকর্মীদের উল্লেখ করে। পরে ঘটনাস্থলে কয়েকজন উপস্থিত হলে। তার নিরব হয়ে যায়। তাদের কাছে গণবোধ্যম কর্মীরা বক্তব্য চাইলে তারা কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

স্থানীয় সমাজকর্মী মিজানুর রহমান বলেন, “সরকারি গাছ মানে জনগণের সম্পদ। এসব গাছ ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করার অধিকার কারো নেই। এমন ঘটনায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি।”

আরেকজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আবদুল কাইয়ুম বলেন, গাছ বিক্রি নয়, বরং সংরক্ষণ জরুরি। মা যেভাবে প্রতিবাদ করেছেন, তা সমাজের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। সন্তানকে থামাতে মায়ের এমন ভূমিকা খুবই প্রশংসনীয়।

অভিযুক্ত রাম গুসল জানান, তার মা অসুস্থ এবং মায়ের হাতে লাগানো জমির শেষ প্রান্তের গাছ তিনি আইনকানুন না জেনেই বিক্রি করেছেন।

এদিকে, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি এম রফিক আহমেদ জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।