Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

সারাদেশে নতুন নকশার আধুনিক শহীদ মিনার নির্মাণের প্রস্তাব কামরুল ইসলামের

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 07:27:41 pm, Saturday, 8 August 2026
  • 103 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে আরও নান্দনিক ও আধুনিক স্থাপত্যের মাধ্যমে ধারণ করতে সারাদেশে নতুন মডেলের শহীদ মিনার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন পিরোজপুরের মো. কামরুল ইসলাম। এ লক্ষ্যে তিনি নিজস্ব চিন্তা ও পরিকল্পনায় তৈরি একটি নতুন শহীদ মিনারের নকশা উপস্থাপন করেছেন।
শনিবার সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন মো. কামরুল ইসলাম। তিনি পিরোজপুর জেলার সাইদুর রহমানের ছেলে এবং নিজেকে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে পরিচয় দেন।
সংবাদ সম্মেলনে কামরুল ইসলাম বলেন, শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি বাঙালির ভাষা আন্দোলন, আত্মত্যাগ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রতীক। সময়ের সঙ্গে স্থাপত্য ও প্রযুক্তির পরিবর্তন ঘটলেও শহীদ মিনারের মূল চেতনা অটুট রেখে এর নকশায় আধুনিকতার সংযোজন করা যেতে পারে।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে নতুন মডেলের শহীদ মিনারের একটি নকশা প্রদর্শন করেন। তার দাবি, নকশাটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে শহীদ মিনারের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে।
কামরুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একই ধরনের পুরোনো নকশার পরিবর্তে সময়োপযোগী ও নান্দনিক নতুন মডেলের শহীদ মিনার নির্মাণ করা যেতে পারে। এতে নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, তার প্রস্তাবটি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে চান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করলে তার প্রস্তাবিত নকশা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কামরুল ইসলাম আরও বলেন, শহীদ মিনার নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু সৌন্দর্য নয়, এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর শিক্ষামূলক গুরুত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, “আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে মনে করি, ভাষাশহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সম্মান জানাতে আমাদের নতুন প্রজন্মের উপযোগী করে শহীদ মিনারকে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।”
নিজের প্রস্তাবিত নকশাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি সারাদেশে নতুন মডেলের আধুনিক শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান কামরুল ইসলাম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সারাদেশে নতুন নকশার আধুনিক শহীদ মিনার নির্মাণের প্রস্তাব কামরুল ইসলামের

আপডেট টাইম : 07:27:41 pm, Saturday, 8 August 2026

বাগেরহাট প্রতিনিধি:ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে আরও নান্দনিক ও আধুনিক স্থাপত্যের মাধ্যমে ধারণ করতে সারাদেশে নতুন মডেলের শহীদ মিনার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন পিরোজপুরের মো. কামরুল ইসলাম। এ লক্ষ্যে তিনি নিজস্ব চিন্তা ও পরিকল্পনায় তৈরি একটি নতুন শহীদ মিনারের নকশা উপস্থাপন করেছেন।
শনিবার সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন মো. কামরুল ইসলাম। তিনি পিরোজপুর জেলার সাইদুর রহমানের ছেলে এবং নিজেকে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে পরিচয় দেন।
সংবাদ সম্মেলনে কামরুল ইসলাম বলেন, শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি বাঙালির ভাষা আন্দোলন, আত্মত্যাগ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রতীক। সময়ের সঙ্গে স্থাপত্য ও প্রযুক্তির পরিবর্তন ঘটলেও শহীদ মিনারের মূল চেতনা অটুট রেখে এর নকশায় আধুনিকতার সংযোজন করা যেতে পারে।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে নতুন মডেলের শহীদ মিনারের একটি নকশা প্রদর্শন করেন। তার দাবি, নকশাটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে শহীদ মিনারের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে।
কামরুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একই ধরনের পুরোনো নকশার পরিবর্তে সময়োপযোগী ও নান্দনিক নতুন মডেলের শহীদ মিনার নির্মাণ করা যেতে পারে। এতে নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, তার প্রস্তাবটি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে চান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করলে তার প্রস্তাবিত নকশা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কামরুল ইসলাম আরও বলেন, শহীদ মিনার নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু সৌন্দর্য নয়, এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর শিক্ষামূলক গুরুত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, “আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে মনে করি, ভাষাশহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সম্মান জানাতে আমাদের নতুন প্রজন্মের উপযোগী করে শহীদ মিনারকে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।”
নিজের প্রস্তাবিত নকশাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি সারাদেশে নতুন মডেলের আধুনিক শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান কামরুল ইসলাম।