Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:57:58 pm, Thursday, 5 February 2026
  • 182 বার

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। চারটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে চাপে পড়েছে বাগেরহাট বিএনপি। জেলার চারটি আসনের সব কটিতেই দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা যেন বিএনপির প্রার্থীদের গলার কাঁটা হয়ে মাঠে রয়েছেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম একাই তিনটি আসনে নির্বাচন করছেন। তিনি সিলভার লাইন গ্রুপের মালিক। ২০০১ সালে বিএনপির হয়ে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাগেরহাট–২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একসময়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, কিন্তু এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি।

বাগেরহাট জেলায় সংসদীয় আসন চারটি। নির্বাচনী আইন অনুসারে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ব্যবসায়ী এম এ এইচ সেলিম সর্বোচ্চ তিনটি আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। এবারের ভোটে বড় দলগুলোর মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া ও ঢাকার একটি আসন মিলে সর্বোচ্চ দুটি আসনে ভোট করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কারও একাধিক আসনে ভোট করার ঘটনা নেই।

এম এ এইচ সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি মূলত বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) ও বাগেরহাট–১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাগেরহাট–৩ (মোংলা ও রামপাল) আসনে তাঁর কার্যক্রম খুব একটা নেই। তবে বাগেরহাট ১ ও ২ আসনে তিনি বিএনপির প্রার্থীদের চাপে ফেলে দিয়েছেন।

এর বাইরে বাগেরহাট–১ আসনে বিএনপির আরেকজন বিদ্রোহী প্রার্থী দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাছুদ রানা। বাগেরহাট–৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির আরেক সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান।বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী সফর করে গেছেন। সেখানে বাগেরহাটের দলীয় প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন; কিন্তু তিনি পাশের জেলা বাগেরহাটে আসেননি। বিএনপির কর্মী–সমর্থকদের ধারণা, দলীয় বিভেদের কারণে তারেক রহমান বাগেরহাট আসেননি।

বিএনপির বিদ্রোহী ও বিভেদের কারণে জামায়াতের প্রার্থীরা সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

প্রথম আলো

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম

আপডেট টাইম : 06:57:58 pm, Thursday, 5 February 2026

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। চারটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে চাপে পড়েছে বাগেরহাট বিএনপি। জেলার চারটি আসনের সব কটিতেই দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা যেন বিএনপির প্রার্থীদের গলার কাঁটা হয়ে মাঠে রয়েছেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম একাই তিনটি আসনে নির্বাচন করছেন। তিনি সিলভার লাইন গ্রুপের মালিক। ২০০১ সালে বিএনপির হয়ে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাগেরহাট–২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একসময়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, কিন্তু এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি।

বাগেরহাট জেলায় সংসদীয় আসন চারটি। নির্বাচনী আইন অনুসারে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ব্যবসায়ী এম এ এইচ সেলিম সর্বোচ্চ তিনটি আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। এবারের ভোটে বড় দলগুলোর মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া ও ঢাকার একটি আসন মিলে সর্বোচ্চ দুটি আসনে ভোট করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কারও একাধিক আসনে ভোট করার ঘটনা নেই।

এম এ এইচ সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি মূলত বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) ও বাগেরহাট–১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাগেরহাট–৩ (মোংলা ও রামপাল) আসনে তাঁর কার্যক্রম খুব একটা নেই। তবে বাগেরহাট ১ ও ২ আসনে তিনি বিএনপির প্রার্থীদের চাপে ফেলে দিয়েছেন।

এর বাইরে বাগেরহাট–১ আসনে বিএনপির আরেকজন বিদ্রোহী প্রার্থী দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাছুদ রানা। বাগেরহাট–৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির আরেক সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান।বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী সফর করে গেছেন। সেখানে বাগেরহাটের দলীয় প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন; কিন্তু তিনি পাশের জেলা বাগেরহাটে আসেননি। বিএনপির কর্মী–সমর্থকদের ধারণা, দলীয় বিভেদের কারণে তারেক রহমান বাগেরহাট আসেননি।

বিএনপির বিদ্রোহী ও বিভেদের কারণে জামায়াতের প্রার্থীরা সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

প্রথম আলো