Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

বাগেরহাটে সওজের ২০ কোটি টাকার জমি উদ্ধার, শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:10:49 pm, Friday, 5 August 2022
  • 179 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সড়ক ও জনপথের জমিতে থাকা শতাধিক কাঁচা-পাকা ও আধা পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেই সাথে ২০ কোটি টাকা মূল্যের ১০ একর জমি দখল মুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের মোল্লাহাট সেতুর দক্ষিন পাশে বাগেরহাট অংশে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সওজ খুলনা বিভাগীয় কাযালয়ের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা উপসচিব অনিন্দিতা রায়ের নেতৃত্বে সড়ক বিভাগ বাগেরহাটের সহযোগিতায় এই অভিযান চালানো হয়। এসময় সওজ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফরিদ উদ্দিনসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে নিয়মিত এই অভিযান সময় সময় চালানো হবে বলে জানিয়েছেন সওজ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফরিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু মানুষ সড়কের জমিতে স্থাপনা নির্মান করে ভোগ দখল করছিল। তাদের স্থাপনা তুলে নেওয়ার জন্য আমরা নোটিশ প্রদান ও পত্রিকায় গন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। কয়েকবার মাইকিংও করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা দখলদার উদ্যোগে ভেঙ্গে নেওয়ার জন্য। তারপরও কিছু মানুষ তাদের নির্মান করা অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে নেয়নি। তাই আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিয়ান চালিয়ে আমাদের জমি দখল মুক্ত করেছি।
সওজ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা উপসচিব অনিন্দিতা রায় বলেন, অভিযান চালিয়ে আমরা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। আমাদের প্রায় ১০ একর জমি দখল মুক্ত করেছি। যার আনুমানিক মূল্য হবে ২০ কোটি টাকা। যারা এসব স্থাপনা নির্মান করেছিল তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ধরণের অবৈধ স্থাপনা নির্মান করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাটে সওজের ২০ কোটি টাকার জমি উদ্ধার, শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট টাইম : 06:10:49 pm, Friday, 5 August 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সড়ক ও জনপথের জমিতে থাকা শতাধিক কাঁচা-পাকা ও আধা পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেই সাথে ২০ কোটি টাকা মূল্যের ১০ একর জমি দখল মুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের মোল্লাহাট সেতুর দক্ষিন পাশে বাগেরহাট অংশে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সওজ খুলনা বিভাগীয় কাযালয়ের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা উপসচিব অনিন্দিতা রায়ের নেতৃত্বে সড়ক বিভাগ বাগেরহাটের সহযোগিতায় এই অভিযান চালানো হয়। এসময় সওজ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফরিদ উদ্দিনসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে নিয়মিত এই অভিযান সময় সময় চালানো হবে বলে জানিয়েছেন সওজ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফরিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু মানুষ সড়কের জমিতে স্থাপনা নির্মান করে ভোগ দখল করছিল। তাদের স্থাপনা তুলে নেওয়ার জন্য আমরা নোটিশ প্রদান ও পত্রিকায় গন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। কয়েকবার মাইকিংও করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা দখলদার উদ্যোগে ভেঙ্গে নেওয়ার জন্য। তারপরও কিছু মানুষ তাদের নির্মান করা অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে নেয়নি। তাই আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিয়ান চালিয়ে আমাদের জমি দখল মুক্ত করেছি।
সওজ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা উপসচিব অনিন্দিতা রায় বলেন, অভিযান চালিয়ে আমরা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। আমাদের প্রায় ১০ একর জমি দখল মুক্ত করেছি। যার আনুমানিক মূল্য হবে ২০ কোটি টাকা। যারা এসব স্থাপনা নির্মান করেছিল তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ধরণের অবৈধ স্থাপনা নির্মান করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।